‘ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিন এখন ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদ’

প্রকাশিত: ৫:৩৩ অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২০ | আপডেট: ৫:৩৪:অপরাহ্ণ, জুন ২১, ২০২০
‘ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিন এখন ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদ’

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন- “তোমরা ওজনে কম দিওনা। যারা ওজনে কম দেয় তাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ।” – সূরা আর-রাহমান, আয়াত (৭-৯)

মাপে কম দেয়ার কারণে অতীতে অনেক জনগোষ্ঠীকে আল্লাহ ধ্বংস করে দিয়েছেন।

আর দেখুন বর্তমান সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রেতাদেরকে ঠকানো/ওজনে কম দেওয়ার প্রতারণা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আমরা জানি, বর্তমানে মাছ, মাংশ, তরকারি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি মাপামাপির জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিন (ওয়েট স্কেল)।

যাকে আমি বলবো ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদ। যদিও দোকানদার বা বিক্রেতারা বলে থাকেন এই মিটার পদ্ধতিতে ওজনে কম বেশি হওয়ার কোনোই ঝুঁকি নেই। অথচ এই যন্ত্রের মাধ্যমেই ওজনে কম দেয়ার সিস্টেম দিন দিন মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়ছে। ঠকানো হচ্ছে নিরুপায় ক্রেতাকে।

ইদানীং অনেক বিক্রেতারা ওজন পরিমাপক যন্ত্রের মধ্যে অসাধু সিস্টেম চালু করে রাখে যাতে করে ওজনে কম দেয়া যায়। তাদের এই কারচুপির কারণে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা। যেমন- দুই কেজি গরুর মাংশে ৪০০ গ্রাম কম দেয়া হয়। মুরগী গুলোর ওজন করার ক্ষেত্রেও তাই। এছাড়াও অন্যান্য দ্রব্যাদিতেও একই কাজ।

এ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ক্রেতাদেরকে সচেতন হওয়ার অনুরোধ করছি।

আর ব্যবসায়ী ভাইদেরকে বলতে চাই- আজকের অবৈধ উপার্জনের সাময়িক তৃপ্তি ভবিষ্যতে ডেকে আনতে পারে দুর্ভোগ।
ব্যবসা-বাণিজ্য ও লেন-দেন এর ক্ষেত্রে পরিমান ও ওজনে কম দেয়া বা ঠকানোর মাধ্যমে জীবিকা উপার্জন একটি জঘন্য অপরাধ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ ধরনের কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, নিন্দনীয় ও পরকালীন দুর্ভোগের কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ওজনে কম দেয়া কবীরা গুনাহ। তা থেকে বিরত থাকুন। এটাকে ইসলাম অত্যন্ত ঘৃনার চোখে দেখে।

লেখকঃ মুনিয়া হক
পৌরসভা ১নং ওয়ার্ড
চরফ্যাসন, ভোলা।