অভিযানের পরও চরফ্যাসনে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম কমায়নি

এম আবু সিদ্দিক এম আবু সিদ্দিক

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক

প্রকাশিত: ১১:২২ অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০২০ | আপডেট: ১১:২২:অপরাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০২০
অভিযানের পরও চরফ্যাসনে ব্যবসায়ীরা পণ্যের দাম কমায়নি

ভ্রাম্যমান আদালতে আটক জেল-জরিমানার পরও ভোলার চরফ্যাসনে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা চালের দাম কমায়নি।
ধান উৎপাদনকারি ভোলায় চালের অস্বাভাবিক মুল্যবৃদ্ধির কারণ নেই।

শনিবার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চরফ্যাসনে ব্যসায়ীদের গুদামে পর্যাপ্ত চাউল মজুদ রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর খবর মিডিয়া ও সেলফোনে পাওয়ার পর গুদামের মজুদ চাউল বস্তায় ৬থেকে ৯শ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চাল ব্যবসায়ী বলেন, সুযোগ সব সময় আসেনা, তার ঘরের মজুদ চাউলের লাভ দিয়ে একবছরের ব্যবসার লাভ আসবে।

করোনার কারনে নৌপথ স্থলপথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই কারনে আগাম মজুদ করে রেখেছি। তিনি আরো বলেন, সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়িয়েছে উৎপাদনকারি এলাকার মিল মালিকরা। আমাদের দোষ কি। ভ্রাম্যমান আদালতে আমাদের জেল জরিমানা আটক না করে মিল মালিকদের ধরা হোক।

এছাড়াও ইউনিয়নের হাটবাজারে মুল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরেছে। চরফ্যাসনে চাউলের অস্বাভাবিক মুল্যের কারনে মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই।

বিভিন্ন চাউলের আড়ৎ সমূহে ঘুরে দেখা গেছে, এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি। পরিবহন বন্ধ হবে এই অজুহাতে তার জোট হয়ে এই মুল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটায়।

বাজারে স্বর্ণা চালের প্রতি বস্তায় ১৪৫০ টাকার চাউল ২৩শ টাকায়, জোড়া কবুতর ১৬শ৫০ টাকার চাউল ২৫শ টাকায়। সব বস্তার চাউলে ৬শ থেকে ৯শ টাকা বাড়িয়ে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, করোনা ভাইরাসকে ইস্যু করে নিত্যপন্যের দাম বাড়ানোর কারনে ভ্রাম্যমান আদালতে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আটক ও জরিমানা করেছি।