‘বৃষ্টি হলে এখানে থাকাই বড় কষ্ট’

হাসান পিন্টু হাসান পিন্টু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০১৯ | আপডেট: ২:৫২:অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০১৯
‘বৃষ্টি হলে এখানে থাকাই বড় কষ্ট’

ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ‘দক্ষিণ রায়চাঁদ আবাসন’। ২০০৮ সালে গৃহহীনদের জন্য নির্মাণ করা হয় আবাসনটি। যেখানে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন ৩০টি পরিবার। তবে নির্মাণের প্রায় ১১ বছর অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো মেরামত না করায় আবাসনের বাসিন্দারা নানান সমস্যায় দিন পাড় করছেন।

বর্তমানে আবাসনের টিনের চাউনিগুলো খুবই জরার্জীণ হয়ে রয়েছে। আবার সম্প্রতিকালের ঘূর্ণিঝড় ফণীর তান্ডবে উড়ে যায় আবাসনের কয়েকটি ঘরের চালা। এতে করে ওই আবাসনের ৩০টি পরিবার খুবই নাজুক অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন পাড় করছেন।

আবাসনের বাসিন্দারা আকাশে মেঘ দেখলেই শঙ্কায় থাকেন। কখন জানি ঝুম বৃষ্টিতে ভাঁসিয়ে নিয়ে যায় তাদের ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালামাল। এমনকি আকাশে মেঘ দেখলে তাদের চোখ থেকে ঘুম পালিয়ে যায়। কারণ কিভাবে তারা এখানে থাকবেন, এই দুশ্চিন্তায়।

আবাসানের বাসিন্দা রহিম, জামাল, মহিউদ্দিন, রিয়াজ, আছমা ও সালমা বেগম জানান, আমাদের কোনো জমি-ঘর না থাকায় এখানে বাস করছি। তবে গত কয়েক বছর ধরে এখানে দেখা দিয়েছে নানান সমস্যা। বৃষ্টি হলে এখানে থাকাই বড় কষ্ট সাধ্য হয়ে যায়। আবাসনের ঘরগুলোর টিনের চাউনি দিয়ে পানি পড়ে ভিজে যায় ঘরের ভিতরে থাকা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। তাই সরকারের কাছে দাবী অতি শিগগিরই যেনো এই দুর্ভোগ লাগবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

রমাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, আবাসনের বাসিন্দাদের কথা ভেবে আমি নিজে কয়েকবার ভোলা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে কাগজপত্র জমা দিয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত আবাসনটি নতুনভাবে মেরামতে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাবিবুল হাসান রুমি বলেন, লালমোহনের বেশ কয়েকটি আবাসন ও আশ্রয়ণের খুবই খারাপ আবস্থা। নতুন করে এগুলো মেরামতে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই এসব আবাসন ও আশ্রয়ণগুলো মেরামতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।