পানিবন্দি চরফ্যাসনের হাজারো মানুষ

আমিনুল ইসলাম আমিনুল ইসলাম

অতিথি প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৭:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯ | আপডেট: ৭:১৯:অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০১৯
পানিবন্দি চরফ্যাসনের হাজারো মানুষ

চরফ্যাসন টানা ৭ দিনের বিরামহীন বৃষ্টিতে পৌরশহরসহ গ্রামীণ এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানি নিস্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নেই। টানা বৃষ্টির কারণে শ্রমজীবি মানুষও কাজ না পেয়ে বেকার হয়ে পড়েছে।

গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে পৌর শহরের বেশ কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নাগরিকদের স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যহত হচ্ছে। শহরের বেশ কিছু সড়কে যানবাহন চলাচল তো দুরের কথা পায়ে হেঁটে পথ চলাও এখন দুষ্কর।

সবচেয়ে বিপদগ্রস্থ অবস্থায় রয়েছে নিম্ম আয়ের পরিবারগুলো। তার পরেও জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌর কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় ভুক্তভোগী মানুষ ক্রমশ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এমনিতেই পৌরসভার আয়তন অনুযায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্বল্পতা রয়েছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইউসুফ হোসেন ইমন বলেন, পৌর সহরের অভ্যন্তরে প্রবাহিত একমাত্র খালটি থানারোডের পূর্ব মাথায় ব্রীজ নির্মাণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুপাশে বাঁধ দিয়ে রেখেছে। তিনি বলেন, দুই চারজন শ্রমিক দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ব্রীজটি নির্মাণ কাজ চলছে। যার জন্য বাঁধ কেটে ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। ব্রীজ নির্মাণ কাজে অবহেলার জন্য পৌর শহরে জমে থাকা পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পৌর ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা নাজু পন্ডিত ও মাকসুদ আমিন জানান, আমরা কি অপরাধ করেছি। আমাদের ওয়ার্ডে একটিও ড্রেন নেই। বিরামহীন বৃষ্টির কারণে পানি বন্দি হয়ে পড়েছি। পানির সাথে পৌর শহরের ময়লা আবর্জনা এবং বিষাক্ত পোকামাকড় ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। তাই আমাদের বসত ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং পরিবারের মধ্যে অনেকেরই পানিবাহিত রোগের দেখা দিয়েছে।

পৌর মেয়র বাদল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, ড্রেনগুলোর পথ পরিষ্কার করে দ্রুত সময়ে শহরের জমে থাকা পানি সরিয়ে নেয়ার কাজ চলছে। আশাকরি অল্প সময়ের মধ্যে জলাবদ্ধতার বন্দি থেকে শহরবাসীকে মুক্ত করতে পারবো।