ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নেই: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০২০ | আপডেট: ১১:১৫:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০২০
ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নেই: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার।

সোমবার পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। খবর বিবিসির।

শুক্রবার ভোরে বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত হন ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। এরপর থেকে ওই অঞ্চলে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এই হত্যাকাণ্ডের ‘চরম প্রতিশোধ’নেওয়ার অঙ্গীকার জানিয়েছে ইরান। মার্কিন সেনাদের দেশ থেকে বের করে দিতে একটি প্রস্তাব পাস করে ইরাকের পার্লামেন্টে।

কোনো কারণেই যাতে বিদেশি সেনারা ইরাকের স্থল, জল ও আকাশসীমা ব্যবহার করতে না পারে সে ব্যাপারে একটি নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বানও জানানো হয় ওই প্রস্তাবে।

একইদিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি করে তেহরান। এর একদিন পর সোমবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে এক মার্কিন জেনারেলের পক্ষ থেকে স্বাক্ষরিত চিঠির সূত্রে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে এমন খবর প্রকাশিত হয়।

প্রকাশিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ইরাকের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আদেল আবদুল মাহদি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর পর আগামী দিনগুলোতে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ পরিস্থিতিতে মাইক এসপার বলেছেন, আমি জানি না যে চিঠিটা আসলে কী…আমরা জানার চেষ্টা করছি, এটা কোথা থেকে এসেছে।’

এসপার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও মিত্রদের সঙ্গে ইরাকে আইএসবিরোধী অভিযানের ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনকে উৎখাতে বহুজাতিক বাহিনীর অভিযান শুরুর পর ইরাকে ঘাঁটি গাড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্যরা।

২০০৭ সালে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়ে ধাপে ধাপে অধিকাংশকে ফিরিয়ে আনা হলেও এখনও সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় পাঁচ হাজার সেনা রয়েছে। কাগজে-কলমে তারা মূলত উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছে।