দৌলতখানে অগ্নিকান্ডে ৯ দোকান পুড়ে ছাই

প্রকাশিত: ১১:১৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৯ | আপডেট: ১১:১৮:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
দৌলতখানে অগ্নিকান্ডে ৯ দোকান পুড়ে ছাই

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় অগ্নিকান্ডে নয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দৌলতখান বাজারের অগ্রণী ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিক থেকে এ অগ্নিকান্ড ঘটেছে বলে প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা যায়, রাত সাড়ে ৩টার দিকে বাজারের অগ্রণী ব্যাংক সংলগ্ন মো. শামীমের মুদি দোকানের বিদ্যুতের মিটার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মুহুর্তের মধ্যে ওই দোকান থেকে আগুনের তিব্রতা আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন ও ভোলাসহ ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এতক্ষনে মুদি দোকনে থাকা গ্যাসের সিলেন্ডার ও তেলের ড্রাম বিস্ফোরিত হয়ে আশেপাশের আরও ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরে ছাই হয়ে যায়। পুড়ে যাওয়া দোকান গুলোহচ্ছে শামীমের মুদি দোকান, আলমের মুদি দোকান, জামাল বেড হাউজ, শুক্কুরআলীর ফলের দোকান, মোস্তফা বেডহাউজ, মাসুদ মিজির হার্ডয়্যার, মনির ষ্টোর, কামাল হোসেনের সয়ামিল, মাইদুল ষ্টোর।

ভোলা জেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা (ডি.এ.ডি.) জাকির হোসেন জানান, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট যৌথভাবে দুইঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। একটি মুদি দোকানের বিদ্যুতের মিটারের থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন সূত্রপাত হয়। এতে আশা পাশের নয়টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

খবর পেয়ে ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আযম মুকুল, দৌলতখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র কুমার নাথ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান করেছেন ।

এসময় সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদেরকে সহযোগীতা করার আশ্বাস দেন।