ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় ভোলায় জরুরি সভা

প্রকাশিত: ১২:২০ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৯, ২০১৯ | আপডেট: ১২:২১:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৯, ২০১৯
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় ভোলায় জরুরি সভা

ঘূর্ণিঝড় ‌‌‌‘বুলবুল’-এর প্রভাবে ভোলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হয়েছে। ভোলার অভ্যন্তরীণ রুটে সব ধরনের লঞ্চ ও নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় শুক্রবার রাত ৮টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে জেলা প্রশাসক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, উপকূলীয় জেলা ভোলায় সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১২টার মধ্যে সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার কাজ শুরু করা হয়েছে। ভোলার অভ্যন্তরীণ রুটে সব ধরনের লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা, ২০০ মেট্রিকটন চাল ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। যে সব মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করবে তাদের জন্য তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও ভোলার দুর্গোম চরে যারা অবস্থান করছে তাদেরকে মূল ভূখণ্ডে আনার কাজ চলছে। দুর্যোগকালীন সময়ে প্রতিবন্ধী, শিশু, নারী ও বয়ষ্কদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনার জন্য ১০ সদস্য বিশিষ্ট ৮টি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার, নৌ-পুলিশসহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কোস্টগার্ডের যত নৌযান আছে সেগুলোও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর পরও যদি দুর্যোগকালীন সময়ে উদ্ধার অভিযানে পরিচালনার জন্য নৌ-বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, কৃষি, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ, বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, জেলা পর্যায়ে একটিসহ ও সাত উপজেলায় সাতটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। এর থেকে সব মানুষ ২৪ ঘণ্টা ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সেবা নিতে পারবে। জেলার ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সিপিপি, রেড ক্রিসেন্ট ও স্কাউটসসহ মোট ১৩ হাজার সেচ্চাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগকালীন সময়ে চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য ৯২টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।