চরফ্যাসনে নিখোঁজ ২৮ জেলে পরিবারে শোকের মাতম

প্রকাশিত: ৫:২৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০১৯ | আপডেট: ৮:১৯:পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১০, ২০১৯
চরফ্যাসনে নিখোঁজ ২৮ জেলে পরিবারে শোকের মাতম

চরফ্যাসনে নিখোঁজ ২৮ জেলে পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্বজনদের কান্না যেন থামছে না। গত শনিবার ভোরে চরফ্যাসনে সাগর মোহনা মেঘনা নদীতে তিন ট্রলার ডুবির ঘটনায় ২দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ জেলেদের খোঁজ মেলেনি। স্থানীয় প্রশাসন বলছে এখন পর্যন্ত ২৮ জেলে নিখোঁজ। নূরাবাদ, আহাম্মদপুর, ফরিদাবাদ, মাদ্রাজ এলাকায় নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের স্বজনদের আহাজারি বাড়ছে।

এদিকে ফরিদাবাদ এলাকায় একই বাড়ির তিন ভাই-ভাতিজার নিখোঁজ হওয়ার খবরে তাদের স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। নূরাবাদ ও আহাম্মদপুর গ্রামের আরও ১১ জনের পরিবারে যেন কান্নার রোল থামছে না।

সোমবার রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলা নির্বাহি অফিসার রুহুল আমিন বলেন, দুই দিন যাবৎ কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও চর মাদ্রাজ, নূরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যানসহ চেষ্টা করেও খোঁজ মিলেনি নিখোঁজ জেলেদের। হতভাগ্য এসব জেলেদের যে কোন মূলে জীবিত উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। জেলেরা তাৎক্ষনিক দুর্ঘটনা কবলিত ট্রলারের খাবার সঙ্গে নিতে পারে তাহলে সাগরে যে কোন স্থানে থাকলে তাদের জীবিত পাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, সাগর ও নদীতে জেলেদের প্রত্যেককে লাইফ জ্যাকেট ও পৃথক পৃথক জেলেদের জন্য ভয়া ছাড়া কোন জেলে নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারবে না। এ ব্যপারে উপজেলা পরিষদের জরুরী সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নৌ-বাহিনী, পুলিশ ও কোস্ট গার্ডকে নির্দেশনা দেয়া আছে কোন জেলে এই নির্দেশ অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারে গেলে তাকে আটক করা হবে।

উল্লেখ্য, যে গত শনিবার সকালে চরফ্যাসন উপজেলার মাদ্রাজ ইউনিয়নের মেঘনার সাগর মোহনায় ভোর ৬ টায় মনির মাঝির ১টি ট্রলার ও নুরাবাদ ইউনিয়নের শাজাহান মাঝির দু’টি ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে গেলে ঝড়ের কবলে পরে শনিবার সকাল ৯ টায় ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ২৮ জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছে।