ভোলা জেলা ঈমান আক্বিদ্বা সংরক্ষণ কমিটির বিক্ষোভ

প্রকাশিত: ১:০৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০১৯ | আপডেট: ১:০৫:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩, ২০১৯
ভোলা জেলা ঈমান আক্বিদ্বা সংরক্ষণ কমিটির বিক্ষোভ

ভোলায় তথা কথিত আহলে হাদিসের অনুসারী কামরুল ইসলাম গংদের দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় ১৯ জন মুসল্লির জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত।

মঙ্গলবার তারা আদালতে হাজিরা দিতে গেলে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায় ভোলা সদর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আলী হায়দার মো. কামাল।

এদিকে আহলে হাদিসের অনুসারী মো. কামরুল ইসলাম গংদের দায়েরকৃত মামলা মিথ্যা দাবি করে ও ১৯ মুসল্লির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে মুসল্লিরা।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা ঈমান আক্বিদ্বা সংরক্ষণ কমিটির ব্যানারে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহেরর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভোলা জজ আদালতের সামনে গিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এতে তাদের সাথে ভোলার সাধারণ মুসল্লীরাও অংশগ্রহণ করে।

পরে সেখানে বক্তব্য দেন জেলা ঈমান আক্বিদ্বা সংরক্ষন কমিটি সভাপতি মাওলানা বশির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তাজউদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা ইয়াকুব আলী, সমাজ কল্যান সম্পাদক মাওলানা তরিকুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা গোলাম মোর্শেদ, মাওলানা সামসুদ্দিন, মাওলানা ইব্রাহিম প্রমূখ।

এ সময় তারা আটককৃত মুসল্লিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করে বলেন, আহলে হাদিসের নামে মো. কামরুল ইসলাম বাবুল ধর্মীয় অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মাঝে দ্বিধাবিভক্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। সমাজে সাধারণ মুসল্লীদের মাঝে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য আমরা ইতোপূর্বে কামরুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বিক্ষোভ মিছিল, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছি। কিন্তু প্রশাসন তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়নি। অথচ কামরুলের দ্বায়ের করা মিথ্যা মামলায় ১৯ জন নিরীহ মুসল্লির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগরে পাঠানো হয়েছে।

এ সময় বক্তারা শান্তিপুর্ণ জেলা ভোলার শান্তি রক্ষার্থে কামরুলের সকল অপপ্রচার বন্ধ করে তাকে গ্রেফতারের দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে ভোলা অচল করে দেয়ারও হুশিয়ারি দেন তারা।

প্রসঙ্গত, গত ১১ জুলাই ২০১৮ইং তারিখে ভোলা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে আহলে হাদিস সমর্থকদের মসজিদ ভাংচুরের অভিযোগে নুরইআলম নামে এক ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় দীর্ঘ তদন্তের পর পিবিআই আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।