ভোলায় স্কুল ছাত্রকে মারধর করে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯ | আপডেট: ৭:২০:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৯
ভোলায় স্কুল ছাত্রকে মারধর করে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ

ভোলায় হত্যার উদ্দেশ্যে মো. সাগর (০৯) নামে এক তৃতীয় শ্রেনীতে পড়–য়া স্কুল ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মারধরের পর তাকে মৃত ভেবে রাস্তায় ফেলে যায় হামলাকারীরা। ভোলার লালমোহন উপজেলার চরভূতা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের হরিগঞ্জ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার সাগর ওই এলাকার মাকসুল হায়দারের ছেলে ও স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্র। বর্তমানে মো. সাগর গুরুতর আহত অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

আহত শিশুর পিতা মাকসুল হায়দার জানান, সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে আমার ছেলে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির সামনে আসে। ওই সময় একই এলাকার শফিজলের মেয়ে স্বপ্না (২৮) ও নুরে আলমের ছেলে রিকা তাকে মুখ চেপে পাশের একটি নির্জল স্থানে নিয়ে বুকে ও পেটে লাথি মারে এবং দু’জনে তার গলা চাপ দিয়ে ধরে। ওই সময় সাগর জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তারা মৃত ভেবে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে চলে যায়। পরে ওই স্থান দিয়ে এক পথচারী যাওয়ার সময় সাগরকে পরে থাকতে দেখে ডাকচিৎকার দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় সাগরকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

তিনি আরো জানান, স্বপ্নার পিতা শফিজল ও রিকার পিতা নুরে আলমের সাথে আমাদের জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন দ্বন্দ চলছিল। তারা কয়েকবার আমার সন্তানকে হত্যার করার হুমকী দিয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শফিজলের ও নুরে আলম পরিকল্পিতভাবে আামর ছেলেকে হত্যার করার জন্য তাদের সন্তানদের দিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি এর সাথে জরিতদের উপযুক্ত বিচারের দাবী জানান।

অভিযুক্ত শফিজল ও নুরে আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির জানান, এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থ গ্রহণ করা হবে।