পেকুয়া ও কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে নিহত ৩

প্রকাশিত: ৭:৫৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২২ | আপডেট: ৭:৫৬:অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২২
পেকুয়া ও কুতুবদিয়ায় বজ্রপাতে নিহত ৩

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া ও  দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায় পৃথক পৃথক স্থানে বজ্রপাতে তিন জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ২ জন।

রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের চুল্লারপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের বাইরে নৌঘাটে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে নিহতরা হলেন উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের চুল্লার পাড়া এলাকার জাকের উল্লাহর ছেলে মো. ইমতিয়াজ (২২)  ও দক্ষিণ ধূরুং কাঁচা এলাকার ছাবের আহমদের ছেলে মো. করিম (২৮)।

তারা চুল্লার পাড়া এলাকার রমিজের ফিশিং বোটের শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে ফিশিং বোটের মালামাল কিনতে বাঁশখালী যাওয়ার মুহূর্তে বজ্রপাতের কবলে পড়েন তারা।

এ সময় আক্কাস, করিম, ইমতিয়াজ ও ফিশিং বোটের মালিক রমিজ বজ্রপাতের থাবায় অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্কাস ও করিমকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত ইমতিয়াজ ও রমিজকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

কুতুবদিয়া থানার ওসি ওমর হায়দার বজ্রপাতে ২ জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপর দিকে পেকুয়ায় বজ্রপাতে মো. রমজান আলী (৪২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রমজান আলী একই ইউনিয়নের আব্দুপাড়া এলাকার মো. হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি জেলে।

মগনামা ইউপির চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, রমজান দুপুরে মগনামার ভোলাখালে মাছ ধরতে যায়। এ সময় হঠাৎ প্রচন্ড বজ্রপাতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে সে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।