কুলাউড়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন হাওর এলাকার মানুষ

প্রকাশিত: ৭:৫৪ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২২ | আপডেট: ৭:৫৪:অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২২
কুলাউড়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন হাওর এলাকার মানুষ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। উপজেলা সদরের সঙ্গে হাওর বেষ্টিত ভূকশিমইল ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

বন্যাকবলিত এলাকার স্থানীয়রা জানান, বন্যায় হাকালুকি হাওর এলাকা ভূকশিমইলের সঙ্গে কুলাউড়া উপজেলা সদরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এর মধ্যে নেই বিদ্যুৎ। মোবাইল নেটওয়ার্কও বন্ধের পথে। পরিস্থিতি ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

ভূকশিমইল ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান মনির জানান, ভূকশিমইলে গত দুইদিন থেকে বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে অসংখ্য বাড়িঘর। সড়কে পানি ওঠায় উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তিনি জানান, হাওর এলাকার মানুষ বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন। ভূকশিমইল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঘাটের বাজার শেড ঘর ও গৌড়করণ মাদ্রাসায় আশ্রয় নিচ্ছেন বন্যার্তরা।

ভূকশিমইল ইউনিয়নকে দুর্গত এলাকা ঘোষণা করার দাবি জানান চেয়ারম্যান মনির।

ইউএনও এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, বর্তমানে ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। বন্যাকবলিত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে জনপ্রতিনিধিসহ স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে তিনি কাজ করছেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ভূকশিমইলের প্লাবিত বাড়িঘর পরিদর্শন করে বন্যার্তদের শুকনো খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন ইউএনও।

এ দিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারি বৃষ্টিপাতে কুলাউড়া উপজেলা পরিষদসহ পৌরবাসী পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

কুলাউড়া পৌরসভার মেয়র অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ জানান, জল নিষ্কাশনের অভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় পৌরবাসীরা দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পৌর এলাকায় দুটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। নিম্নাঞ্চলের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে।