চাঁদরাতে ভোলায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

প্রকাশিত: ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০১৯ | আপডেট: ১২:১৩:পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৩, ২০১৯
চাঁদরাতে ভোলায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

ঈদের আগের রাতে মেহেদীতে হাত রাঙাতে গিয়ে দুই লম্পটের কাছে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী (১২)। ভোলা সদর উপজেলায় রোববার রাতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্থানীয়রা ধর্ষীতা মেয়েটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ধর্ষিতার পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, ভোলা সদর উপজেলার উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চরসিফলী গ্রামের এক কৃষক ঈদ উপলক্ষে তার দুই মেয়ের জন্য বাজার থেকে মেদেহী কিনে আনে।

রোববার সন্ধ্যার দিকে তাদের বাবা গরু বিক্রি করার টাকা আনতে ভোলা শহরে যান। বাবা শহরে চলে যাওয়ার পর দুই বোন রাত ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী দুঃসর্ম্পকের আত্মীয় মাহাফুজের স্ত্রীর কাছে হাতে মেদেহী দিয়ে সাজতে যায়। ওই সময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা লম্পট আল আমিন (২৫) ওই কিশোরীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়।

এ সময় আলমিনের স্ত্রী ঘরে ছিলো না। এই সুযোগে হঠাৎ করে ওই ছাত্রীকে আলামিন ও তার সহযোগী লম্পট মঞ্জুর আলম (৩০) ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে তার ডাক চিৎকারে স্থানীয়দের সহযোগীতায় ধর্ষিতার পরিবারের সদস্য তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতার বয়স কম হওয়ায় তার অবস্থায় আশঙ্কাজনক। ধর্ষিতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার বরিশাল প্রেরণ করা হয়েছে।

ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। ধর্ষণের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।