ট্রলার ডুবির দুইদিন পর ছেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ মা

চরফ্যাসনে ট্রলার ডুবি

প্রকাশিত: ৭:৩৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২১
ট্রলার ডুবির দুইদিন পর ছেলের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ মা

ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার চর পাতিলা সংলগ্ন মেঘনায় ট্রলার ডুবির দুইদিন পর নিখোঁজ মা-সন্তানের মধ্যে ছেলে স্বপনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টেবর) সকাল সাড়ে সাতটায় চর পাতিলা থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে বয়ার চরে বসবাসরত স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে চর মানিকা কোষ্টগার্ড মরদেহ উদ্ধার করে।

এদিকে নিখোঁজের একদিন পর চরফ্যাশন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে প্রবল স্রোতের কারনে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়। সোমবার উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করেন।

চর মানিকা কোষ্টগার্ড কমান্ডার ওয়ালিউল্লাহ জানান, নিখোঁজদের সন্ধানের জন্য বয়ার চরের স্থানীয়দের কাছে আমাদের ফোন নম্বর দিয়ে আসি। আজ সকালে সেখানে একজন যুবকের ভাসমান মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আমাদেরকে জানায়। খবর পেয়ে কোষ্টগার্ডের একটি দল চর পাতিলা থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে বয়ার চর থেকে স্বপন নামের যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। পরে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নিহতের গ্রামের বাড়ি মুজিবনগর ইউনিয়নে দাফন করা হবে পরিবারের লোকজন জানায়।

দক্ষিণ আইচা থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, বয়ার চর থেকে স্বপন নামের যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো স্বপনের মা বিলকিছ বেগম নিখোঁজ রয়েছেন। মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার (১৭ অক্টোবর) চর পাতিলা থেকে সবজি বোঝাই একটি ট্রলার ৯জন যাত্রী নিয়ে চর কচ্ছপিয়া আসার পথে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। পরে ৭ জনকে জীবিত ও দুই বছরের এক শিশুকে মৃত্যু উদ্ধার করা হয়। ঘটনার দিন থেকে নিখোঁজ ছিল শিশুটির বাবা স্বপন ও দাদী বিলকিছ বেগম।