কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন পরীমণি

প্রকাশিত: ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২১ | আপডেট: ৪:৫৪:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১, ২০২১
কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন পরীমণি

ঢাকাই সিনে জগতের এ সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নায়িকা পরীমণি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন।

বুধবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে পরীমণিকে বহনকারী গাড়িটি ছেড়ে আসে। এ সময় উৎসুক জনতার ভিড়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।

সাদা রঙের টি শার্ট পরে কারাগার থেকে বের হন পরীমণি। ফটকের বাইরে এসে গাড়ির ছাদ খুলে গেলে তিনি সবার উদ্দেশে হাত নাড়েন, সেলফি তোলেন।

এর আগে মঙ্গলবার পরীমণির জামিনের আদেশ দেন আদালত। সে খবর পেয়ে বিকেল থেকে কারাফটকে মানুষ ভিড় জমান। কিন্তু রাত্রিটি কারাগারেই কাটান ‘স্বপ্নজাল’ নায়িকা।

ওই দিন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার হালিমা খাতুন বলেন, রাত ৮টা পর্যন্ত নায়িকা পরীমণির জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়নি। তাই মঙ্গলবার কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। কারাগারে তার জামিনের কাগজপত্র পৌঁছালে যাচাই-বাছাই শেষে মুক্তি দেওয়া হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পরীমণির জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

পরীমণির আইনজীবী মজিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৪৭ ধারা অনুযায়ী মহিলা একটি প্রিভেলেজ পাবেন। যেহেতু পরীমণি একজন মহিলা, তার দেশে বিদেশে তার পরিচিতি আছে, তার কিছু সিনেমা প্রক্রিয়াধীন আছে, সেগুলোর সিডিউল বিনষ্ট হচ্ছে, তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তার (পরীমণির) চিকিৎসার জন্য এবং এই মামলার কোনো তত্ত্বগত প্রমাণ এখনো আসেনি, তাই আমরা জামিনের আবেদন করেছি। চার্জশিট না হওয়া পর্যন্ত আদালত আমাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।’

গত ৪ আগস্ট ‘বিপুল পরিমাণ মাদক’সহ বনানীর বাসা থেকে পরীমণিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর ৫ আগস্ট চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর ১৯ আগস্ট এক দিনের রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হয়।

রিমান্ড শেষে ২১ আগস্ট তাকে আদালতে আনা হলে সিআইডি’র আবেদনের প্রেক্ষিতে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর নানান আইনি তর্কের পর ২৮ দিন পর কারাগার ছাড়লেন নায়িকা।