তজুমদ্দিনে মহিষের বাথান মালিকদের মাঝে ঔষধ বিতরণ

প্রকাশিত: ১০:৩১ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২১ | আপডেট: ১০:৪০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৭, ২০২১
তজুমদ্দিনে মহিষের বাথান মালিকদের মাঝে ঔষধ বিতরণ

ভোলার তজুমদ্দিনে মহিষ উন্নয়ন প্রকল্পের (২য় পর্যায়) আওতায় মহিষের বাথান পালনকারী খামার মালিকদের মাঝে বিনামূল্যে সরকারীভাবে সরবরাহকৃত কৃমিনাশক ঔষধ ও ভিটামিন ঔষধ প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ আগষ্ট) বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রশিক্ষণ হলরুমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ সরকার পিএএ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. নাহিদুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ নুর হাফেজ, কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান, ভলান্টিয়ার ভ্যাক্সিনেটর, বাথান মালিক নুরুল ইসলাম বাবুলসহ বাথানে মহিষ পালন খামারিবৃন্দ।

জানতে চাইলে মহিষের খামারী নুরুল ইসলাম বাবুল বলেন, মহিষের দুধ ও কাঁচা দই বিক্রির টাকা খামারীদের চোখে দিন বদলের স্বপ্ন দেখাচ্ছে। একজন আদর্শ খামারী ২শত থেকে ৫শতটি মহিষ পালন করতে পারে। মহিষ পালন বর্তমান সময়ে লাভজনক হওয়ায় স্থানীয়রা তা পালনে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। করালগ্রাসি মেঘনার ভাঙ্গনে দিশেহারা চরবাসী মহিল পালন করে অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন করতে শুরু করেছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. পলাশ সরকার পিএএ বলেন, ভোলার তজুমদ্দিন চরবেষ্টিত হওয়ায় মহিষ পালনের জন্য খুবই সম্ভাবনাময় একটি উপজেলা। মহিষের দুধ যেমন মিষ্টি তেমনি পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ। এ সম্ভবনাকে কাজে লাগাতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর তজুমদ্দিন খামারীদের মহিষ পালনে উদ্বুদ্ধ ও পাশাপাশি মহিষ পালনে প্রান্তিক খামারীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। মহিষের দুধে ফ্যাট পারসেন্টেজ বেশি তাই মহিষের দুধের দাম বেশি এবং দধির জন্য উৎকৃষ্ট। এ বছর থেকে মহিষের দুধ ও গোস্তের উৎপাদন বাড়াতে কৃত্রিম প্রজনন শুরু করা হবে। এ কথায় মহিষের বাথানের মালিকদের উন্নতজাতের মহিষ বাড়াতে সকল প্রকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

উল্লেখ্য, বাথানে মহিষ পালনকারী খামারিদের মধ্যে ১১১ কেজি ভিটামিন মিনারেল পাউডার ও ১ হাজার ১৬০ পিজ কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ করা হয়।