মহামারী মোকাবিলায় এবারও বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত: ৭:৪১ অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২১ | আপডেট: ৭:৪১:অপরাহ্ণ, জুন ৩, ২০২১
মহামারী মোকাবিলায় এবারও বরাদ্দ ১০ হাজার কোটি টাকা

মহামারীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে বাজেটে ২০২১-২২ সালের বাজেটেও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটেও কোভিড-১৯ মোকাবেলায় যে কোনো জরুরি চাহিদা মেটাতে ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার বাজেট প্রস্তাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সব নাগরিককে বিনামূল্য টিকা প্রদান করবে। যত টাকাই লাগুক সরকার তা প্রদান করবে। সে লক্ষে বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, মহামারী মোকাবেলায় যা করণীয় তার সবকিছু সরকার করবে। সে কারণে আগামী অর্থবছরে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় জরুরি চাহিদা মেটানোর জন্য আবার ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।

এ বরাদ্দের বাইরে টিকা কিনতে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে দেড় বিলিয়ন ডলারের ভ্যাকসিন সাপোর্ট পাওয়ার আশার কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

জাতীয় জীবনে করোনাভাইরাস ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী বাজেটের ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতকে সর্বাপেক্ষা অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি টিকা সংগ্রহে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনতে ভাগ ভাগ করে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

টিকা সংগ্রহে চলত অর্থবছরে ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাংক ৩ হাজার কোটি টাকা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ৭০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

চলতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয়ভাবে টিকা দেওয়া শুরু হয় দেশে। দেশে এখন পর্যন্ত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ কোটি ২ লাখ ডোজ, চীনের সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ এবং কোভ্যাক্স থেকে ফাইজার-বায়োএনটেকের ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা এসেছে।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড প্রয়োগের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হয়।

তিন কোটি ডোজ টিকা কিনতে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। তবে মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারত বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে সরকারে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে সেরাম ইনস্টিউট দুই চালানের পর আর টিকা পাঠাতে পারেনি।