শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবিতে নিহত বেড়ে ২৬

প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০২১ | আপডেট: ৫:৪৩:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০২১
শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবিতে নিহত বেড়ে ২৬

শীতলক্ষ্যায় লাশের মিছিল দেখলো নারায়ণগঞ্জ। সদর মডেল থানার কয়লা ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি লাইটার জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী লঞ্চ রাবিত আল হাসান উদ্ধার করা হয়েছে। লঞ্চের ভেতর থেকে ২১ শিশু, নারী ও পুরুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে রবিবার রাতে ৫ নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে লাশের সংখ্যা দাঁড়াল ২৬ জনে।

বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসে। তখন ভেতরে লাশের সারি দেখা যায়। এ সময় স্বজনদের আহাজারিতে ঘটনাস্থলের বাতাস ভারী হয়ে উঠে।

রবিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সদর উপজেলার মদনগঞ্জ কয়লাঘাট এলাকায় একটি লাইটার জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। লঞ্চে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। রাতেই ২৯ জন সাঁতরে তীরে ওঠেন।

লঞ্চ ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে রাত থেকে কাজ করে বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, দমকল বাহিনী, নৌ ও থানা-পুলিশের উদ্ধারকর্মীরা।

এর আগে রাতে উদ্ধারকর্মীরা ৫ নারীর লাশ উদ্ধার করেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানান, লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

নিহতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় মিলেছে। তারা হলেন- মুন্সিগঞ্জ সদরের উত্তর চরমসুরার ওয়ালিউল্লাহের স্ত্রী পাখিনা বেগম (৪৫), মুন্সিগঞ্জ সদরের প্রীতিময় শর্মার স্ত্রী প্রতিমা শর্মা (৫৩), মালপাড়ার হারাধন সাহার স্ত্রী সুনিতা সাহা (৪০) ও নোয়াগাঁও পূর্বপাড়ার দুখু মিয়ার মেয়ে ছাউদা আক্তার লতা (১৮)।

নারায়ণগঞ্জ বিআইডব্লিটিআই এর ট্রাফিক পরিদর্শক বাবু লাল জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জ লঞ্চ স্টেশন থেকে এমবি হাবিব আল হাসান নামে লঞ্চটি বন্দর কালুঘাট শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে মুন্সীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় পেছন থেকে একটি কার্গো জাহাজ লঞ্চটিকে ধাক্কা দিয়ে ভাসিয়ে ৫০ ফুট দূরে ব্রিজের নিচে নিয়ে যায়। সেখানে লঞ্চটি কাত হয়ে ডুবে যায়।