কোম্পানীগঞ্জে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে

প্রকাশিত: ১২:০১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১ | আপডেট: ১২:০১:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২১
কোম্পানীগঞ্জে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে শনিবার আবারও হরতাল ডেকেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

তার অনুসারীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় বসুরহাট পৌরসভার মিলনায়তন থেকে তিনি সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

চরপার্বতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক তানভির বলেন, হরতালে কোম্পানীগঞ্জে এবং কোম্পানীগঞ্জমুখী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল বিকেল ৫টার দিকে চাপরাশিরহাট পূর্ববাজার এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল।

এ সময় সাবেক ওই চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি মিছিল বাজারের দলীয় কার্যালয়ের দিকে যায়। হঠাৎ করে ওই মিছিলে আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক জামাল উদ্দিন লিটনসহ কিছু লোক বাধা দেয়।

এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিপেটা ও ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষের পর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডিতে লাইভে এসে তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

এ সময় তিনি হামলার ইন্ধনদাতা হিসেবে নোয়াখালীর সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী এবং ফেনীর সাংসদ নিজাম হাজারীর নাম বলেন। পুলিশের ‘সহযোগিতায়’ ওই হামলায় তার অনুসারী ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলেও দাবি করেন কাদের মির্জা।

অন্যদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল টেলিফোনে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিকেলে আমার বাড়িতে ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আগামীকালের সংবাদ সম্মেলন বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা চলাকালে বাড়ির বিভিন্ন দিক থেকে অনবরত গুলি আসতে থাকে। এ সময় সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। হামলায় আমার অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।’