তজুমদ্দিনে আলুর বাম্পার ফলনের আশাবাদী চাষিরা

প্রকাশিত: ৯:৩৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০২১ | আপডেট: ৯:৪৯:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৯, ২০২১
তজুমদ্দিনে আলুর বাম্পার ফলনের আশাবাদী চাষিরা

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলে এবছর ব্যাপকহারে আলু চাষ হয়েছে। বিগত বছরের তুলনায় বাম্পার ফলনের আশাবাদী চাষিরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, আলু চাষ বেশ লাভজনক হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় এ উপজেলার এবার বেশি পরিমাণ আলু চাষ হয়েছে। এখানে সাধারণত ডায়মন্ড ও হাইব্রিড দুটিজাতের আলু চাষ হয়। তবে উচ্চ ফলনের আশায় অধিকাংশ কৃষকেরা ডায়মন্ড জাতের বীজ বেশি রোপণ করেছে।

উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ৪শ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার মে.টন।

কৃষকের সাথে আলাপকালে জানা যায়, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার সার, কীটনাশক, বীজের দাম অনেকটা কম এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মাঠজুড়ে তারা আলু চাষ করেছেন।

শম্ভুপুর ইউনিয়নের আলুচাষি মোঃ নুরনবী জানায়, তিনি ১২ একর জমিতে আলু চাষাবাদ করেছেন। প্রতি একর জমিতে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৬ হাজার টাকা করে খরচ হয়েছে। রোগবালাই আক্রমন না করলে আলু চাষে বেশ লাভবান হওয়ার আশাবাদী তিনি।

আড়ালিয়া গ্রামের চাষি মোঃ ইউনুছ জানায়, ১০ একর জমিতে ডায়মন্ড জাতের আলু চাষ করেছেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যে আলু তোলা যাবে। আলুগাছ অনেকটা রোগমুক্ত এবং ভালো পরিচর্যা করায় আলুর বাম্পার ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে গতবছর আলুর বীজ রোপনের কিছুদিন পরেই বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে আলুগাছ পচে যাওয়ায় কৃষকেরা ব্যাপক ক্ষতির সন্মুখীন হলেও এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে বেশ লাভবান হবে বলে আশাবাদী চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবুল হোসেন মিয়া বলেন, আলুর জন্য ক্ষতিকর হলো ঘন কুয়াশা যা, এখনো দেখা যায়নি। তাই রোগ বালাইয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই কম। এছাড়া শুরু থেকেই আমরা কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকি তারাও সময়মত পরিচর্যা করায় আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে উপজেলাব্যাপী এ বছর।